ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ: নীরবে মুখের স্বাস্থ্য নষ্ট হওয়ার আগে যে সতর্কসংকেতগুলো জানা জরুরি

7 minutes read

✧ সকালে দাঁত ব্রাশ করতে গিয়ে হঠাৎ মাড়ি থেকে রক্ত পড়ল। কয়েক দিন পর দেখা গেল মাড়ি ফুলে আছে, মুখে অস্বস্তি হচ্ছে, কিংবা দাঁতের গোড়ায় জমছে শক্ত আবরণ। অনেকেই এগুলোকে সামান্য দাঁতের সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান। কিন্তু কারও যদি ডায়াবেটিস থাকে, তখন বিষয়টি শুধু মুখের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে।

ডায়াবেটিস দাঁত ও মাড়ির রোগ” শিরোনামে বলা হয়েছে যে ডায়াবেটিস শুধু রক্তে শর্করার মাত্রাকেই প্রভাবিত করে না, দাঁত ও মাড়ির সমস্যার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। বৈজ্ঞানিক গবেষণাও এই মূল বক্তব্যকে সমর্থন করে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে দ্বিমুখী সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস মাড়ির রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, আবার গুরুতর মাড়ির প্রদাহও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণকে কঠিন করে তুলতে পারে (প্রেশো প্রমুখ, ২০১২; সান্‌জ প্রমুখ, ২০১৮)।

১.০ ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ কেন বেশি দেখা যায়

ডায়াবেটিসে দীর্ঘ সময় রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি থাকলে শরীরের বিভিন্ন টিস্যু ও রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থায় পরিবর্তন ঘটতে পারে। মুখের মাড়ি ও দাঁতকে ধরে রাখা টিস্যুও এর বাইরে নয়।

প্রেশো ও সহকর্মীদের পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের মধ্যে পেরিওডনটাইটিস বা দাঁতের সহায়ক টিস্যুর দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। গবেষণাটিতে ডায়াবেটিসকে পেরিওডনটাইটিসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকিকারক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে (প্রেশো প্রমুখ, ২০১২)।

রক্তে শর্করা দীর্ঘদিন বেশি থাকলে প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া বেড়ে যেতে পারে, টিস্যু মেরামতের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ তুলনামূলক দুর্বল হতে পারে। এসব পরিবর্তনের ফলে ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ দ্রুত বাড়তে বা বেশি গুরুতর হতে পারে।

২.০ ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ এবং পেরিওডনটাইটিস

মাড়ির প্রাথমিক প্রদাহকে সাধারণত জিনজিভাইটিস বলা হয়। এ অবস্থায় মাড়ি লাল হওয়া, ফুলে যাওয়া বা ব্রাশ করার সময় রক্ত পড়া দেখা দিতে পারে। সঠিক পরিচর্যা না হলে কিছু ক্ষেত্রে প্রদাহ গভীর টিস্যুতে পৌঁছে পেরিওডনটাইটিসে পরিণত হতে পারে।

পেরিওডনটাইটিসে দাঁতের চারপাশের লিগামেন্ট ও অ্যালভিওলার হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে সময়ের সঙ্গে দাঁত নড়বড়ে হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। নিউম্যান ও সহকর্মীদের ক্লিনিক্যাল পেরিওডনটোলজি পাঠ্যপুস্তকেও ডায়াবেটিসকে পেরিওডন্টাল রোগের গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেমিক ঝুঁকিকারক হিসেবে আলোচনা করা হয়েছে (নিউম্যান প্রমুখ, ২০১৯)।

এ কারণে ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ শুধু দাঁত পরিষ্কার রাখার বিষয় নয়; এটি সামগ্রিক ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবেও বিবেচ্য।

৩.০ মাড়ির রোগ কি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণেও প্রভাব ফেলতে পারে

এই প্রশ্নটির উত্তরই বিষয়টিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।

গবেষণা অনুযায়ী, সম্পর্কটি একমুখী নয়। পেরিওডনটাইটিস দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে এবং এ প্রদাহ শরীরের ইনসুলিন সংবেদনশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হতে পারে (চ্যাপল ও জেনকো, ২০১৩)।

সান্‌জ ও সহকর্মীদের যৌথ ঐকমত্য প্রতিবেদনে ডায়াবেটিস ও পেরিওডন্টাল রোগের মধ্যে দ্বিমুখী সম্পর্কের শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় মুখের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় পেরিওডন্টাল চিকিৎসার গুরুত্বও উল্লেখ করা হয় (সান্‌জ প্রমুখ, ২০১৮)।

অর্থাৎ ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ উপেক্ষা করা মানে শুধু মুখের সমস্যাকে অবহেলা করা নয়; দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দেওয়া।

৪.০ কোন লক্ষণগুলো অবহেলা করা উচিত নয়

মাড়ির রোগ সবসময় তীব্র ব্যথা দিয়ে শুরু হয় না। তাই ছোট লক্ষণও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।

ব্রাশ করার সময় বারবার রক্ত পড়া, মাড়ি লাল বা ফুলে যাওয়া, দাঁতের গোড়া থেকে মাড়ি সরে যাওয়া, মুখে দীর্ঘস্থায়ী দুর্গন্ধ, দাঁতের ফাঁক পরিবর্তিত হওয়া অথবা দাঁত নড়বড়ে মনে হওয়া পেরিওডন্টাল সমস্যার সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে।

এ ছাড়া মুখ শুষ্ক লাগা বা লালা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিলে দাঁতের ক্ষয় ও মুখের অন্যান্য সমস্যার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তবে এসব লক্ষণের একাধিক কারণ থাকতে পারে। শুধু লক্ষণ দেখে রোগ নির্ণয় করা ঠিক নয়।

ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ সন্দেহ হলে দাঁতের চিকিৎসকের পরীক্ষা প্রয়োজন।

৫.০ রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

ডায়াবেটিস যত ভালোভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকে, মুখের টিস্যুর ওপর দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ গ্লুকোজের নেতিবাচক প্রভাবও তত কমানোর সুযোগ থাকে।

প্রেশো প্রমুখের গবেষণায় হাইপারগ্লাইসেমিয়ার মাত্রা এবং পেরিওডন্টাল রোগের তীব্রতার মধ্যে সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে (প্রেশো প্রমুখ, ২০১২)। একইভাবে সান্‌জ প্রমুখ ডায়াবেটিস রোগীর নিয়মিত পেরিওডন্টাল মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন (সান্‌জ প্রমুখ, ২০১৮)।

তাই ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে দাঁতের যত্ন এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।

৬.০ মাড়ির চিকিৎসা কি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে

এই বিষয়ে বহু ক্লিনিক্যাল গবেষণা হয়েছে। সামগ্রিক প্রমাণ থেকে বোঝা যায়, পেরিওডন্টাল চিকিৎসার পর কিছু ডায়াবেটিস রোগীর গ্লাইকেটেড হিমোগ্লোবিন বা এইচবিএওয়ানসি সামান্য উন্নত হতে পারে। তবে প্রভাবের পরিমাণ গবেষণাভেদে আলাদা এবং এটি ডায়াবেটিসের ওষুধ বা চিকিৎসার বিকল্প নয়।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন পদ্ধতিগত পর্যালোচনা ও মেটা-বিশ্লেষণে পেরিওডন্টাল চিকিৎসা এবং গ্লাইসেমিক নিয়ন্ত্রণের সম্ভাব্য সম্পর্ক পরীক্ষা করা হয়েছে (সমুজ প্রমুখ, ২০২৩; লি প্রমুখ, ২০২৪)।

সুতরাং ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ থাকলে প্রয়োজনীয় দাঁতের চিকিৎসা নেওয়া উপকারী হতে পারে, কিন্তু ইনসুলিন, ওষুধ, খাদ্যাভ্যাস বা চিকিৎসকের নির্ধারিত ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনা কখনোই নিজের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন করা উচিত নয়।

৭.০ ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধে দৈনন্দিন যত্ন

দৈনন্দিন কিছু নিয়ম মুখের স্বাস্থ্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে। দিনে নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার করা, দাঁতের ফাঁকের জমে থাকা প্লাক অপসারণ এবং নিয়মিত দাঁতের চিকিৎসকের পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।

নরম ব্রিসলের টুথব্রাশ ব্যবহার করে মাড়ির কিনারাসহ দাঁত পরিষ্কার করা উপকারী। দাঁতের মাঝের স্থান পরিষ্কার রাখতে উপযুক্ত ইন্টারডেন্টাল পরিষ্কার-পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে দাঁত বা মাড়ি থেকে অস্বাভাবিক রক্তপাত হলে জোরে ঘষে পরিষ্কার করার পরিবর্তে দাঁতের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

নিয়মিত পরিচর্যার লক্ষ্য শুধু দাঁত সাদা রাখা নয়; বরং প্লাকের পরিমাণ কমানো এবং প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখা।

৮.০ একটি বাস্তবসম্মত উদাহরণ

ধরা যাক, একজন ব্যক্তি কয়েক বছর ধরে টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। কয়েক মাস ধরে ব্রাশ করার সময় তাঁর মাড়ি থেকে রক্ত পড়ছে, কিন্তু ব্যথা না থাকায় তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দেননি। পরে দাঁতের পরীক্ষা করে দেখা গেল মাড়িতে প্রদাহ এবং কয়েকটি স্থানে গভীর পেরিওডন্টাল পকেট রয়েছে।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে শুধু নতুন টুথপেস্ট ব্যবহার করাই যথেষ্ট নাও হতে পারে। দাঁতের চিকিৎসকের মাধ্যমে পেরিওডন্টাল মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পাশাপাশি ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণ কেমন আছে সেটিও চিকিৎসকের সঙ্গে পর্যালোচনা করা দরকার।

এই উদাহরণটি দেখায়, ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ কখনও কখনও ব্যথা ছাড়াই ধীরে ধীরে অগ্রসর হতে পারে।

৯.০ ডেন্টিস্ট ও ডায়াবেটিস চিকিৎসকের সমন্বয় কেন প্রয়োজন

আধুনিক গবেষণায় মুখের স্বাস্থ্যকে শরীরের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখার প্রবণতা কমেছে। ডায়াবেটিস ও পেরিওডনটাইটিসের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সান্‌জ প্রমুখের ঐকমত্য প্রতিবেদনে ডায়াবেটিস ও দাঁতের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের মধ্যে সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে (সান্‌জ প্রমুখ, ২০১৮)। একইভাবে পুমেরান্টজ ও সহকর্মীদের গবেষণায় টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় পেরিওডন্টাল পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাব্য গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে (পুমেরান্টজ প্রমুখ, ২০১৭)।

তাই ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ থাকলে ডেন্টিস্টকে ডায়াবেটিসের ইতিহাস ও চলমান চিকিৎসার তথ্য জানানো উপকারী।

∎ ডায়াবেটিসের যত্ন বলতে শুধু রক্তে শর্করার সংখ্যা দেখা বোঝায় না। মুখ, দাঁত ও মাড়িও সেই যত্নের অংশ। গবেষণা ধারাবাহিকভাবে দেখিয়েছে যে ডায়াবেটিস ও পেরিওডন্টাল রোগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ এবং সম্ভাব্য দ্বিমুখী সম্পর্ক রয়েছে।

তাই ডায়াবেটিসে দাঁত ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত মুখের পরিচর্যা, দাঁতের চিকিৎসকের পরীক্ষা, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজন হলে পেরিওডন্টাল চিকিৎসা—সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ।

ব্রাশে মাঝে মাঝে রক্ত দেখাকে “স্বাভাবিক” ধরে নেওয়া কিংবা দাঁত নড়বড়ে হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। প্রাথমিক পর্যায়ে সমস্যা শনাক্ত হলে চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ অনেক সহজ হতে পারে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ডায়াবেটিস এবং মুখের স্বাস্থ্যকে আলাদা দুটি বিষয় না ভেবে একই সামগ্রিক স্বাস্থ্যচিত্রের অংশ হিসেবে দেখা।

তথ্যসূত্র

চ্যাপল, আই. এল. সি. ও জেনকো, আর. (২০১৩) ‘ডায়াবেটিস অ্যান্ড পেরিওডন্টাল ডিজিজেস: কনসেনসাস রিপোর্ট অব দ্য জয়েন্ট ইএফপি/এএপি ওয়ার্কশপ’, জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল পেরিওডনটোলজি। উৎস: https://doi.org/10.1111/jcpe.12077.

প্রেশো, পি. এম., আলবা, এ. এল., হেরেরা, ডি., ইয়েপসেন, এস., কনস্টান্টিনিডিস, এ., মাকরিলাকিস, কে. ও টেইলর, আর. (২০১২) ‘পেরিওডনটাইটিস অ্যান্ড ডায়াবেটিস: আ টু-ওয়ে রিলেশনশিপ’, ডায়াবেটোলজিয়া, ৫৫। উৎস: https://link.springer.com/article/10.1007/s00125-011-2342-y.

সান্‌জ, এম., সেরিয়েলো, এ., বুইসশার্ট, এম., চ্যাপল, আই., ডেমার, আর. টি., গ্রাজিয়ানি, এফ. প্রমুখ (২০১৮) ‘সায়েন্টিফিক এভিডেন্স অন দ্য লিংকস বিটুইন পেরিওডন্টাল ডিজিজেস অ্যান্ড ডায়াবেটিস: কনসেনসাস রিপোর্ট অ্যান্ড গাইডলাইনস’, জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল পেরিওডনটোলজি, ৪৫। উৎস: https://onlinelibrary.wiley.com/doi/10.1111/jcpe.12808.

নিউম্যান, এম. জি., টাকেই, এইচ. এইচ., ক্লকেভোল্ড, পি. আর. ও কারাঞ্জা, এফ. এ. (২০১৯) নিউম্যান অ্যান্ড কারাঞ্জাস ক্লিনিক্যাল পেরিওডনটোলজি, ১৩তম সংস্করণ। ফিলাডেলফিয়া: এলসেভিয়ার।

পুমেরান্টজ, এ. এস., বিসেট, এস. এম., ডং, এফ., ওচোয়া, সি. প্রমুখ (২০১৭) ‘স্ট্যান্ডার্ডাইজড স্ক্রিনিং ফর পেরিওডনটাইটিস অ্যাজ অ্যান ইন্টিগ্রাল পার্ট অব মাল্টিডিসিপ্লিনারি ম্যানেজমেন্ট অব অ্যাডাল্টস উইথ টাইপ টু ডায়াবেটিস’, বিএমজে ওপেন ডায়াবেটিস রিসার্চ অ্যান্ড কেয়ার, ৫। উৎস: https://drc.bmj.com/content/5/1/e000413.

জোশিপুরা, কে. জে., মুনোজ-টরেস, এফ. জে., ডাই, বি. এ. প্রমুখ (২০১৮) ‘লংগিটিউডিনাল অ্যাসোসিয়েশন বিটুইন পেরিওডনটাইটিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব ডায়াবেটিস’, ডায়াবেটিস রিসার্চ অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস। উৎস: https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/S0168822717317485.

ওয়াং, ওয়াই. বি., ইয়ান, এস. ওয়াই., লি, এক্স. এইচ., হুয়াং, কিউ., লুও, এল. এস. প্রমুখ (২০২২) ‘কজাল অ্যাসোসিয়েশন বিটুইন পেরিওডনটাইটিস অ্যান্ড টাইপ টু ডায়াবেটিস: আ বাইডিরেকশনাল টু-স্যাম্পল মেন্ডেলিয়ান র‌্যান্ডমাইজেশন অ্যানালাইসিস’, ফ্রন্টিয়ার্স ইন জেনেটিক্স। উৎস: https://www.frontiersin.org/journals/genetics/articles/10.3389/fgene.2021.792396/full.

সমুজ, টি. (২০২৩) ‘ডাজ ননসার্জিক্যাল পেরিওডন্টাল থেরাপি ইমপ্রুভ গ্লাইসেমিক কন্ট্রোল?’, এভিডেন্স-বেসড ডেন্টিস্ট্রি, ২৪(১), পৃ. ২১–২২। উৎস: https://doi.org/10.1038/s41432-023-00860-0.

লি, সি. প্রমুখ (২০২৪) ‘ইফেক্ট অব নন-সার্জিক্যাল পেরিওডন্টাল থেরাপি অন হিমোগ্লোবিন এওয়ানসি ইন পেরিওডনটাইটিস পেশেন্টস উইদাউট ডায়াবেটিস মেলিটাস: আ সিস্টেম্যাটিক রিভিউ অ্যান্ড মেটা-অ্যানালাইসিস’, জার্নাল অব ডেন্টিস্ট্রি, ১৪৫। উৎস: https://doi.org/10.1016/j.jdent.2024.104974.

সেরোন, সি., অলিভেরো, পি., ফ্লোরেস, এন., ক্রুজাট, বি. প্রমুখ (২০২৩) ‘ডায়াবেটিস, পেরিওডনটাইটিস, অ্যান্ড কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ: টুওয়ার্ডস ইকুইটি ইন ডায়াবেটিস কেয়ার’, ফ্রন্টিয়ার্স ইন পাবলিক হেলথ। উৎস: https://www.frontiersin.org/journals/public-health/articles/10.3389/fpubh.2023.1270557/full.

Have any thoughts?

Share your reaction or leave a quick response — we’d love to hear what you think!

You may also like

-
00:00
00:00
Update Required Flash plugin
-
00:00
00:00