অর্থ ও সম্পদ বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক: তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী ৬টি ব্যাংক ও টাকা রাখার আগে যা দেখবেন এম টি ইসলাম মুন্না (বিএসসি, এমবিএ, এমএড)September 13, 20260115 views ✧ ব্যাংকের কাউন্টারে জমা দেওয়া টাকা, মোবাইল অ্যাপে দেখা সঞ্চয়ের অঙ্ক কিংবা বহু বছরের পরিশ্রমে তৈরি মেয়াদি আমানত—সবকিছুর পেছনে থাকে একটাই প্রত্যাশা: প্রয়োজনের সময় অর্থটি যেন নিরাপদে পাওয়া যায়। তাই শুধু বেশি সুদ, ঝকঝকে অ্যাপ বা কাছের শাখা দেখে ব্যাংক বেছে নেওয়া যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক খুঁজতে হলে দেখতে হয় ব্যাংকের মূলধন, খেলাপি ঋণ, তারল্য, প্রভিশন, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রক মূল্যায়ন। খেলাপি ঋণ, তারল্যচাপ ও সুশাসন নিয়ে আলোচনার কারণে আমানতকারীর প্রশ্ন এখন আরও জরুরি: কোন ব্যাংকে টাকা রাখলে তুলনামূলকভাবে ঝুঁকি কম হতে পারে? শুরুতেই সতর্কতা—বাংলাদেশ ব্যাংক “সবচেয়ে নিরাপদ ছয় ব্যাংক” নামে কোনো স্থায়ী তালিকা প্রকাশ করেনি। এখানে আলোচিত ছয়টি ব্যাংক ২০২৩ ও ২০২৪ সালের সাসটেইনেবিলিটি রেটিংয়ে ধারাবাহিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে নির্বাচিত। বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক বলতে কী বোঝায়? একটি ব্যাংককে নিরাপদ বলা মানে সেটি কখনো সমস্যায় পড়বে না—এমন নিশ্চয়তা নয়। ব্যাংকিং তত্ত্বে মূলধন ক্ষতি শোষণ করে, আর পর্যাপ্ত তারল্য গ্রাহকের অর্থ উত্তোলনের চাপ সামলাতে সাহায্য করে (ফারাগ, হারল্যান্ড ও নিক্সন, ২০১৩; আইয়ার, ক্যালোমিরিস ও উইলাডেক, ২০১৫)। একইভাবে খেলাপি ঋণ বেড়ে গেলে সম্পদের মান দুর্বল হয় এবং মুনাফা ও মূলধনের ওপর চাপ পড়ে—বাংলাদেশসহ উদীয়মান অর্থনীতির গবেষণায় এই সম্পর্ক দেখা গেছে (মৌদুদ-উল-হক, আক্তার প্রমুখ, ২০২০; গাজী প্রমুখ, ২০২৪)। তাই বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক বিচার করতে একটি মাত্র পুরস্কার, সুদের হার বা ব্র্যান্ড পরিচিতি নয়; কয়েকটি আর্থিক সূচক একসঙ্গে দেখা জরুরি। কেন এই ছয়টি ব্যাংক আলোচনায়? বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের সাসটেইনেবিলিটি রেটিংয়ে ১০টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক স্বীকৃতি পায়। এর মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংক ২০২৩ সালের তালিকাতেও ছিল (দ্য ডেইলি স্টার, ২০২৫; নিউ এজ, ২০২৫)। রেটিংটি শুধু পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন দেখে তৈরি হয় না; টেকসই অর্থায়ন, করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা, সবুজ প্রকল্প, মূল ব্যাংকিং স্থায়িত্ব এবং সেবার বিস্তৃতিও বিবেচনায় আসে। মূল ব্যাংকিং স্থায়িত্বের মধ্যে নিট খেলাপি ঋণ, প্রথম স্তরের মূলধন, প্রভিশন ও বড় ঋণের ঝুঁকির মতো সূচক গুরুত্বপূর্ণ। তাই এটি বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক চিহ্নিত করার একটি সহায়ক সূত্র হতে পারে, তবে সরাসরি আমানত-নিরাপত্তার রেটিং নয়। ১.০ ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি ব্র্যাক ব্যাংক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ, রিটেইল, করপোরেট ও ডিজিটাল সেবায় পরিচিত। ২০২৩ ও ২০২৪—দুই বছরের সাসটেইনেবিলিটি রেটিংয়ে থাকা ইতিবাচক সংকেত। বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক খোঁজার সময় এই ধারাবাহিকতার পাশাপাশি সর্বশেষ নিরীক্ষিত প্রতিবেদন, মূলধন ও খেলাপি ঋণও দেখা উচিত। ২.০ সিটি ব্যাংক পিএলসি সিটি ব্যাংক দেশের পুরোনো বেসরকারি ব্যাংকগুলোর একটি। কার্ড, রিটেইল ও করপোরেট সেবায় এর উপস্থিতি আছে। টানা দুই বছর স্বীকৃতি ইতিবাচক; তবে ব্যাংকের আকার বা জনপ্রিয়তা একাই যথেষ্ট নয়—সম্পদের মান, মূলধন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ (বার্গার, মলিনিউক্স ও উইলসন, ২০১৪; মেহজাবিন প্রমুখ, ২০২৩)। ৩.০ ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি ইস্টার্ন ব্যাংক বা ইবিএল করপোরেট ও রিটেইল ব্যাংকিংয়ে প্রতিষ্ঠিত নাম। দুই বছরের রেটিংয়ে ধারাবাহিক উপস্থিতি এটিকে বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক আলোচনায় রাখে। তবু মূলধন, খেলাপি ঋণ ও তারল্যের সাম্প্রতিক প্রবণতা দেখা জরুরি; গবেষণায় তারল্য ব্যবস্থাপনাকে মৌলিক ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ হিসেবে দেখা হয় (বিয়ানকি ও বিগিও, ২০২২)। ৪.০ যমুনা ব্যাংক পিএলসি যমুনা ব্যাংকও পরপর দুই বছর সাসটেইনেবিলিটি রেটিংয়ে জায়গা ধরে রেখেছে। এই ধারাবাহিকতা ইতিবাচক হলেও এর অর্থ এই নয় যে ব্যাংকটির প্রতিটি আর্থিক সূচক অন্য সব ব্যাংকের চেয়ে ভালো। বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যমুনা ব্যাংকের সর্বশেষ ঋণের মান, প্রভিশন, আমানত প্রবৃদ্ধি ও তারল্য পরিস্থিতি আলাদাভাবে দেখা প্রয়োজন। ৫.০ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক বা এমটিবি রিটেইল, করপোরেট ও ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে সক্রিয়। দুই বছরের তালিকায় থাকা বহুমাত্রিক মূল্যায়নে ধারাবাহিকতার সংকেত। তবে চাপের সময়ে মূলধন ও তারল্য একে অপরকে প্রভাবিত করতে পারে (কন্ট, কটলিকি ও ভালদেরামা, ২০২০)। ৬.০ প্রাইম ব্যাংক পিএলসি প্রাইম ব্যাংকও আলোচিত দুই বছরের রেটিংয়ে স্বীকৃতি পেয়েছে। একজন আমানতকারীর কাছে এটি তথ্যের একটি ইতিবাচক অংশ, কিন্তু সিদ্ধান্তের একমাত্র ভিত্তি নয়। বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক তালিকায় কোনো নাম দেখলেই বড় অঙ্কের টাকা জমা না রেখে ব্যাংকটির বার্ষিক প্রতিবেদন, মূলধন, প্রভিশন, খেলাপি ঋণ ও মুনাফার প্রবণতা যাচাই করা ভালো। বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক বাছাইয়ের প্রধান সূচক মূলধন পর্যাপ্ততা মূলধন পর্যাপ্ততা ব্যাংককে অপ্রত্যাশিত ক্ষতি সামলানোর সুরক্ষা দেয়। পাঠ্যপুস্তক ও ব্যাংকিং গবেষণা উভয় ক্ষেত্রেই শক্তিশালী মূলধনকে আমানতকারীর আস্থা ও আর্থিক স্থিতিশীলতার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে দেখা হয় (ক্লাইন ও মাজুমদার, ২০২২; আইয়ার, ক্যালোমিরিস ও উইলাডেক, ২০১৫)। খেলাপি ঋণ খেলাপি ঋণ বেশি হলে ব্যাংকের আয় কমতে পারে, প্রভিশনের চাপ বাড়তে পারে এবং নতুন ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা দুর্বল হতে পারে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে গবেষণাতেও ঋণের ঝুঁকি ও ব্যাংক পারফরম্যান্সের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পাওয়া গেছে (মৌদুদ-উল-হক, আক্তার প্রমুখ, ২০২০; গাজী প্রমুখ, ২০২৪)। তারল্য তারল্য মানে গ্রাহকের উত্তোলন ও স্বল্পমেয়াদি দায় মেটাতে পর্যাপ্ত নগদ বা দ্রুত নগদে রূপান্তরযোগ্য সম্পদ থাকা। তারল্য ও দেউলিয়াত্বের ঝুঁকি আলাদা হলেও চাপের সময়ে দুটির সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হতে পারে (কন্ট, কটলিকি ও ভালদেরামা, ২০২০)। প্রভিশন ও ঋণের মান ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের সম্ভাব্য ক্ষতির বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রভিশন রাখা ব্যাংকের হিসাবকে বাস্তবসম্মত রাখতে সাহায্য করে। শুধু মোট ঋণ কত, তা নয়—ঋণের মান কেমন এবং সম্ভাব্য ক্ষতির জন্য ব্যাংক কতটা প্রস্তুত, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা, বড় ঋণের ঘনত্ব, সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ—সবই ঝুঁকির অংশ। ব্যাংকিং গবেষণায় ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণকে স্থিতিশীলতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে দেখা হয় (বার্গার, মলিনিউক্স ও উইলসন, ২০১৪)। বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক ও সাসটেইনেবিলিটি রেটিংয়ের পার্থক্য সাসটেইনেবিলিটি রেটিং গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ব্যাংকের আর্থিক ও টেকসই কার্যক্রমের একাধিক দিক একসঙ্গে দেখে। কিন্তু এটি ব্যাংক ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা বা আমানত ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা মাপার সরাসরি সূচক নয়। বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণও দেখায়, বাংলাদেশে টেকসই অর্থায়ন কাঠামোতে পরিবেশগত ও সামাজিক মূল্যায়নের আলাদা উদ্দেশ্য রয়েছে (আলোনসো, ২০২৪)। তাই বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক নির্বাচন করতে রেটিংকে সহায়ক প্রমাণ হিসেবে নিন, চূড়ান্ত নিশ্চয়তা হিসেবে নয়। বেশি সুদ মানেই কি ভালো ব্যাংক? না। বেশি সুদ গ্রাহকের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারে, কিন্তু সেটি ব্যাংকের শক্তির নিশ্চয়তা নয়। কোনো ব্যাংক আমানত বাড়াতে বাজারের তুলনায় বেশি হার দিতে পারে। উদাহরণ হিসেবে, একটি ব্যাংক ৯ শতাংশ এবং আরেকটি ১০ শতাংশ দিলে শুধু অতিরিক্ত ১ শতাংশ দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে মূলধন, তারল্য, খেলাপি ঋণ ও সুশাসন তুলনা করা ভালো। সব টাকা কি একটি ব্যাংকে রাখা উচিত? বড় সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পরিচিত নীতি। সব অর্থ একটি প্রতিষ্ঠানে রাখলে সেই প্রতিষ্ঠানের সমস্যার প্রভাব পুরো সঞ্চয়ে পড়তে পারে। ২০২৫ সালের আমানত সুরক্ষা সংস্কার নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতিবেদনে সুরক্ষার সীমা ২ লাখ টাকা করার কাঠামোর উল্লেখ রয়েছে (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ২০২৫)। ফলে বড় অঙ্কের আমানতের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক বেছে নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে অর্থ ভাগ করার কথাও বিবেচনা করা যায়। সরকারি ব্যাংক নাকি বেসরকারি ব্যাংক? মালিকানা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু একমাত্র মানদণ্ড নয়। সরকারি বা বেসরকারি—উভয় ক্ষেত্রেই মূলধন, খেলাপি ঋণ, তারল্য, প্রভিশন ও সুশাসন যাচাই জরুরি। তাই “সরকারি মানেই নিরাপদ” বা “বেসরকারি মানেই ভালো”—দুটিই অতিরিক্ত সরলীকরণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তালিকা কতটা বিশ্বাস করবেন? “এই ছয় ব্যাংক শতভাগ নিরাপদ”—এ ধরনের পোস্ট দ্রুত ছড়ায়। কিন্তু তথ্যের তারিখ, নিয়ন্ত্রক উৎস ও নিরীক্ষিত প্রতিবেদন যাচাই ছাড়া ভাইরাল তালিকা অনুসরণ করা ঠিক নয়। বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক নিয়ে সিদ্ধান্তে সাম্প্রতিক ও যাচাইযোগ্য তথ্যকে অগ্রাধিকার দিন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পাঁচ মিনিটের যাচাই একটি ব্যাংকে বড় অঙ্কের টাকা রাখার আগে পাঁচটি বিষয় দেখুন—সর্বশেষ নিরীক্ষিত প্রতিবেদন কী বলছে, খেলাপি ঋণ কোন দিকে যাচ্ছে, মূলধন পর্যাপ্ত কি না, তারল্য নিয়ে উল্লেখযোগ্য সতর্কতা আছে কি না এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে অবস্থান কেমন। এই তথ্যগুলো মিলিয়ে দেখলে সিদ্ধান্ত অনেক বেশি তথ্যনির্ভর হয়। ∎ বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৩ ও ২০২৪ সালের সাসটেইনেবিলিটি রেটিংয়ের ধারাবাহিকতা বিবেচনায় ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংক আলোচনায় আলাদা গুরুত্ব পায়। সে কারণে এগুলোকে বাংলাদেশের নিরাপদ ব্যাংক নিয়ে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী ছয়টি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা যায়। তবে কোনো ব্যাংকই ঝুঁকিমুক্ত নয়, এবং সাসটেইনেবিলিটি রেটিং আমানত সুরক্ষার সরাসরি র্যাঙ্কিংও নয়। তাই বেশি সুদের প্রলোভনের আগে মূলধন, খেলাপি ঋণ, তারল্য, প্রভিশন, সুশাসন ও সর্বশেষ নিরীক্ষিত তথ্য দেখুন। শেষ পর্যন্ত আপনার টাকার নিরাপত্তার সবচেয়ে শক্ত ভিত্তি কোনো ভাইরাল তালিকা নয়; বরং সাম্প্রতিক, নির্ভরযোগ্য ও যাচাইযোগ্য আর্থিক তথ্য। তথ্যসূত্র আলোনসো, টি. (২০২৪)। ‘এক্সক্লুশন রিস্কস ইন ক্লাইমেট-রিলেটেড ফাইন্যান্সিয়াল রেগুলেশন: অ্যান অ্যানালিটিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক’। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক। উৎস: https://documents1.worldbank.org/curated/en/099123024130013318/pdf/P181370-eb7a9c94-52ba-4d1e-a11b-d9fa24acc0aa.pdf. আইয়ার, এস., ক্যালোমিরিস, সি. ডব্লিউ. ও উইলাডেক, টি. (২০১৫)। ‘ব্যাংক ক্যাপিটাল রেগুলেশন: থিওরি, এমপিরিক্স, অ্যান্ড পলিসি’। আইএমএফ ইকোনমিক রিভিউ। উৎস: https://link.springer.com/article/10.1057/imfer.2015.18. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (২০২৫)। ‘বাংলাদেশ: কান্ট্রি রিপোর্ট নং ২৫/১৫০’। উৎস: https://www.imf.org/-/media/Files/Publications/CR/2025/English/1bgdea2025001-print-pdf.ashx বার্গার, এ. এন., মলিনিউক্স, পি. ও উইলসন, জে. ও. এস. (সম্পা.) (২০১৪)। ‘দ্য অক্সফোর্ড হ্যান্ডবুক অব ব্যাংকিং’। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। উৎস: https://books.google.com/books?id=DA67BQAAQBAJ. বিয়ানকি, জে. ও বিগিও, এস. (২০২২)। ‘ব্যাংকস, লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট, অ্যান্ড মনিটারি পলিসি’। ইকোনোমেট্রিকা। উৎস: https://onlinelibrary.wiley.com/doi/abs/10.3982/ECTA16599. কন্ট, আর., কটলিকি, এ. ও ভালদেরামা, এল. (২০২০)। ‘লিকুইডিটি অ্যাট রিস্ক: জয়েন্ট স্ট্রেস টেস্টিং অব সলভেন্সি অ্যান্ড লিকুইডিটি’। জার্নাল অব ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স। উৎস: https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/S0378426620301370. ক্লাইন, ডি. কে. ও মাজুমদার, এস. (২০২২)। ‘মানি, ব্যাংকিং, অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটস: আ মডার্ন ইন্ট্রোডাকশন টু ম্যাক্রোইকোনমিক্স’। https://books.google.com/books?id=ZmJaEAAAQBAJ. গাজী, এম. এ. আই., করিম, আর., সেনাথিরাজাহ, এ. আর. এস., উল্লাহ, এ. কে. এম. এম. প্রমুখ (২০২৪)। ‘ব্যাংক-স্পেসিফিক অ্যান্ড ম্যাক্রোইকোনমিক ডিটারমিন্যান্টস অব প্রফিটেবিলিটি অব ইসলামিক শরিয়াহ-বেইজড ব্যাংকস: এভিডেন্স ফ্রম নিউ ইকোনমিক হরাইজন ইউজিং প্যানেল ডেটা’। ইকোনোমিজ, ১২(৩), ৬৬। https://www.mdpi.com/2227-7099/12/3/66. দ্য ডেইলি স্টার (২০২৫)। ‘টেন ব্যাংকস রেটেড সাসটেইনেবল ইন বিবিজ ২০২৪ ইভ্যালুয়েশন’। https://www.thedailystar.net/business/news/10-banks-rated-sustainable-bbs-2024-evaluation-3941456. নিউ এজ (২০২৫)। ‘টেন ব্যাংকস রেটেড সাসটেইনেবল ইন বিবিজ ২০২৪ ইভ্যালুয়েশন’। https://www.newagebd.net/post/banking/270304/10-banks-rated-sustainable-in-bbs-2024-evaluation. ফারাগ, এম., হারল্যান্ড, ডি. ও নিক্সন, ডি. (২০১৩)। ‘ব্যাংক ক্যাপিটাল অ্যান্ড লিকুইডিটি’। ব্যাংক অব ইংল্যান্ড কোয়ার্টারলি বুলেটিন। https://papers.ssrn.com/sol3/papers.cfm?abstract_id=2327437. মৌদুদ-উল-হক, এস., আক্তার, আর. প্রমুখ (২০২০)। ‘ইমপ্যাক্ট অব ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইসিস অন ক্রেডিট রিস্ক: প্রি- অ্যান্ড পোস্ট-ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইসিস ইন অ্যান ইমার্জিং ইকোনমি’। এফআইআইবি বিজনেস রিভিউ। https://journals.sagepub.com/doi/abs/10.1177/2319714520923952. মেহজাবিন, এস., শাহরিয়ার, এ., হক, এম. এন. প্রমুখ (২০২৩)। ‘দ্য ইফেক্ট অব ক্যাপিটাল স্ট্রাকচার, অপারেটিং এফিশিয়েন্সি অ্যান্ড নন-ইন্টারেস্ট ইনকাম অন ব্যাংক প্রফিটেবিলিটি: নিউ এভিডেন্স ফ্রম এশিয়া’। এশিয়ান জার্নাল অব ইকোনমিক্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, ৭(১)। https://www.emerald.com/ajeb/article/7/1/25/30531. বাংলাদেশ ব্যাংক (২০২৪)। ‘সাসটেইনেবিলিটি রেটিং ২০২৪’। ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংক। https://www.bb.org.bd/.