✧ সন্ধ্যার খাবার টেবিলে সবাই বসেছে, কিন্তু শিশুটির চোখ তখনও ট্যাবলেটের পর্দায়। ডিভাইসটি সরাতে বলতেই শুরু হলো বিরক্তি, কান্না বা তর্ক। আবার কোনো শিশু রাতে ঘুমানোর কথা বলে বিছানায় গেলেও চুপিচুপি ফোনে ছোট ভিডিও দেখতে থাকে। আধুনিক অনেক পরিবারের কাছে এমন দৃশ্য ক্রমেই পরিচিত হয়ে উঠছে।
শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি তাই এখন বাবা-মা, শিক্ষক এবং স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের একটি বিষয়। স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, গেম কনসোল ও অনলাইন ভিডিও প্ল্যাটফর্ম দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে যাওয়ায় আগের প্রজন্মের তুলনায় বর্তমান শিশুরা পর্দার সঙ্গে অনেক বেশি সময় কাটাচ্ছে।
তবে স্ক্রিন ব্যবহার নিজেই শত্রু নয়। ডিজিটাল মাধ্যম শেখা, সৃজনশীলতা, যোগাযোগ এবং বিনোদনের সুযোগ তৈরি করতে পারে। সমস্যা দেখা দেয় তখন, যখন ব্যবহারটি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে, পারিবারিক দ্বন্দ্ব তৈরি করে অথবা ঘুম, পড়াশোনা, খেলাধুলা ও সম্পর্কের জায়গা দখল করে নেয়।
গবেষকেরা সাধারণত “সমস্যাজনক মিডিয়া ব্যবহার” ধারণাটিকে বেশি নির্ভুল মনে করেন। কারণ শুধু দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে থাকাই আসক্তি প্রমাণ করে না; বরং নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাবই বেশি গুরুত্বপূর্ণ (ডমফ প্রমুখ, ২০১৯; রেগা, জোইয়া ও বুরসিয়ে, ২০২৩)।
১.০ শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি আসলে কী?
শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি কথাটি দৈনন্দিন আলোচনায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও এর অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কোনো শিশু ভিডিও গেম খুব পছন্দ করে অথবা দীর্ঘ সময় একটি শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখে—শুধু এ কারণে তাকে আসক্ত বলা ঠিক নয়।
উদ্বেগের কারণ হয় যখন স্ক্রিন ব্যবহার ঘুম, স্কুলের কাজ, শারীরিক কার্যকলাপ, পারিবারিক সম্পর্ক অথবা আবেগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাকে ব্যাহত করতে শুরু করে।
ডমফ ও সহকর্মীরা শিশুদের সমস্যাজনক মিডিয়া ব্যবহার মূল্যায়নের জন্য একটি পরিমাপক তৈরি করেন, যেখানে ডিভাইস ব্যবহার কমাতে ব্যর্থতা, সরিয়ে নিলে অস্বস্তি, পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং ক্ষতিকর পরিণতি সত্ত্বেও ব্যবহার চালিয়ে যাওয়ার মতো আচরণ বিবেচনা করা হয় (ডমফ প্রমুখ, ২০১৯)।
উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, একটি শিশু বারবার খাবার বাদ দিয়ে গেম চালিয়ে যেতে চায়, ট্যাবলেট সরিয়ে নিলে তীব্রভাবে উত্তেজিত হয় অথবা রাতে পরিবারের অজান্তে ডিভাইস ব্যবহার করে। এগুলো সাধারণ বিনোদনের তুলনায় সমস্যাজনক ব্যবহারের শক্তিশালী সংকেত হতে পারে।
২.০ শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি নিয়ন্ত্রণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
স্ক্রিনের প্রভাব বুঝতে শুধু “কত ঘণ্টা” ব্যবহার হচ্ছে তা দেখা যথেষ্ট নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুটি আর কী কী গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে পারছে না?
পড়াশোনা, খেলা, পরিবারের সঙ্গে কথা বলা, ঘুম, বই পড়া এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ড যদি ক্রমাগত কমতে থাকে, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে শিশুর সুস্থ বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে (রাডেস্কি ও ক্রিস্টাকিস, ২০১৬)।
২.১ ঘুম ও আবেগগত সুস্থতা
অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের সঙ্গে সবচেয়ে ধারাবাহিকভাবে আলোচিত সমস্যাগুলোর একটি হলো ঘুমের ব্যাঘাত। বিশেষ করে রাতে শোবার আগে কিংবা বিছানায় ডিভাইস ব্যবহার করলে ঘুম আসতে দেরি হতে পারে এবং মোট ঘুমের সময় কমে যেতে পারে (হেল প্রমুখ, ২০১৮)।
ঘুম কম হলে তার প্রভাব পরদিনের আচরণেও পড়তে পারে। শিশু ক্লান্ত, অমনোযোগী বা খিটখিটে হয়ে উঠতে পারে।
ধরা যাক, একটি শিশু প্রতিদিন রাতে বিছানায় আধা ঘণ্টা ছোট ভিডিও দেখে। শুরুতে বিষয়টি নিরীহ মনে হলেও ধীরে ধীরে সে দেরিতে ঘুমাতে পারে, সকালে উঠতে কষ্ট হতে পারে এবং স্কুলে মনোযোগ কমে যেতে পারে।
স্ক্রিন ব্যবহার কমানোর উদ্যোগ ঘুম-সম্পর্কিত ফলাফলের উন্নতিতে সহায়ক হতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে (মার্টিন, বেডনার্জ প্রমুখ, ২০২১)।
২.২ মনোযোগ, আচরণ ও বিকাশ
শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং দৈনন্দিন আচরণের সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে। ছোট শিশুদের সমস্যাজনক মিডিয়া ব্যবহারের সঙ্গে আচরণগত অসুবিধা, ঘুমের সমস্যা এবং পারিবারিক চাপের সম্পর্ক পাওয়া গেছে (রেগা, জোইয়া ও বুরসিয়ে, ২০২৩)।
তবে এখানে কারণ ও সম্পর্ককে এক করে দেখা উচিত নয়। গবেষণার অনেক ফলাফল সম্পর্ক নির্দেশ করে; প্রতিটি ক্ষেত্রে স্ক্রিনই একমাত্র কারণ—এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।
বিশেষ করে ছোট বয়সে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা, প্রতিক্রিয়াশীল খেলা, কল্পনাভিত্তিক খেলা এবং শারীরিক নড়াচড়া বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্ক্রিন যদি এসব অভিজ্ঞতাকে নিয়মিত সরিয়ে দেয়, তখন উদ্বেগ বাড়ে (রাডেস্কি ও ক্রিস্টাকিস, ২০১৬)।
৩.০ ঘরে শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি কমানোর উপায়
শুধু ডিভাইস কেড়ে নেওয়ার পরিবর্তে পরিবারের লক্ষ্য হওয়া উচিত টেকসই ডিজিটাল অভ্যাস তৈরি করা। গবেষণায় পরিবারভিত্তিক নিয়ম, বাবা-মায়ের অংশগ্রহণ এবং ধারাবাহিক সীমার গুরুত্ব পাওয়া যায়।
৩.১ পরিষ্কার ও ধারাবাহিক সীমা নির্ধারণ করুন
শিশুরা সাধারণত এমন নিয়ম সহজে গ্রহণ করে, যা আগে থেকেই জানা এবং প্রতিদিন একইভাবে প্রয়োগ করা হয়।
উদাহরণ হিসেবে পরিবার সিদ্ধান্ত নিতে পারে—স্কুলে যাওয়ার আগে কোনো বিনোদনমূলক স্ক্রিন নয়, হোমওয়ার্ক শেষ হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় গেম খেলা যাবে এবং ঘুমানোর আগে ডিভাইস বন্ধ করতে হবে।
জেন্টাইল ও সহকর্মীদের গবেষণায় বাবা-মায়ের মিডিয়া পর্যবেক্ষণের সঙ্গে ঘুম, স্কুলের ফলাফল এবং আচরণের ভালো ফলাফলের সম্পর্ক পাওয়া যায় (জেন্টাইল প্রমুখ, ২০১৪)।
এখানে কঠোরতার চেয়ে ধারাবাহিকতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একদিন কয়েক ঘণ্টা স্বাধীন ব্যবহার করতে দিয়ে পরদিন হঠাৎ সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দিলে দ্বন্দ্ব বাড়তে পারে।
৩.২ স্ক্রিনমুক্ত স্থান ও দৈনন্দিন রুটিন তৈরি করুন
শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি মিনিট গুনে যাওয়ার চেয়ে পরিবারে কিছু নির্দিষ্ট স্ক্রিনমুক্ত পরিস্থিতি তৈরি করা অনেক সময় বেশি বাস্তবসম্মত।
খাবার টেবিল, শোবার ঘর এবং পারিবারিক আলাপের সময়কে স্ক্রিনমুক্ত অঞ্চল হিসেবে নির্ধারণ করা যেতে পারে।
পন্টি স্বাস্থ্যকর বিকাশে সহায়ক নিয়মিত পারিবারিক রুটিনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন (পন্টি, ২০২৩)। ঘুমের আগের রুটিনে গোসল, দাঁত ব্রাশ, গল্পের বই পড়া এবং পরিবারের কারও সঙ্গে কয়েক মিনিট কথা বলা রাখা যেতে পারে।
একই নিয়ম প্রতিদিন অনুসরণ করলে শিশুকে বারবার আলাদাভাবে বোঝানোর প্রয়োজনও কমে।
৩.৩ শুধু স্ক্রিন কমাবেন না—আকর্ষণীয় বিকল্প দিন
একটি শিশুকে শুধু “ফোনটা রেখে দাও” বললে সে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন করতে পারে—“তারপর আমি কী করব?”
তাই স্ক্রিন কমানোর পাশাপাশি আনন্দদায়ক বিকল্প গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। সাইকেল চালানো, ব্লক দিয়ে কিছু তৈরি, ছবি আঁকা, গান শেখা, রান্নায় সাহায্য করা, বই পড়া অথবা বাইরে খেলাধুলা কার্যকর বিকল্প হতে পারে।
গোল্ডের মতে, স্বাস্থ্যকর ডিজিটাল জীবন মানে প্রযুক্তি সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া নয়; বরং শিশুর জীবনে বিভিন্ন ধরনের আগ্রহ ও অভিজ্ঞতা তৈরি করা (গোল্ড, ২০১৪)।
যেমন, স্কুল থেকে ফেরার পর সরাসরি ভিডিও দেখার বদলে পরিবার একটি রুটিন করতে পারে—নাশতা, দশ মিনিট গল্প, তারপর বাইরে বল খেলা অথবা ছবি আঁকা।
৩.৪ কনটেন্টের মান এবং একসঙ্গে ব্যবহারে গুরুত্ব দিন
সব ধরনের স্ক্রিন সময় এক রকম নয়। শিক্ষামূলক ভিডিও, ছবি আঁকার ডিজিটাল মাধ্যম অথবা পরিবারের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠান দেখা—এসবের অভিজ্ঞতা অনবরত স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকা ছোট ভিডিও দেখার মতো নয়।
বার ও পন্টি উভয়েই কনটেন্টের মান, ব্যবহারের প্রেক্ষাপট এবং বাবা-মায়ের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন (বার, ২০১৯; পন্টি, ২০২৩)।
শিশুর সঙ্গে একই কনটেন্ট দেখে প্রশ্ন করা—“তুমি কী শিখলে?” অথবা “চরিত্রটি এমন করল কেন?”—পর্দার সময়কে তুলনামূলকভাবে সক্রিয় শেখার অভিজ্ঞতায় পরিণত করতে পারে।
৩.৫ আপনি যে অভ্যাস দেখতে চান, নিজেও তা অনুসরণ করুন
বাবা-মা যদি শিশুকে খাবারের সময় ফোন সরাতে বলেন কিন্তু নিজেরাই বারবার ফোন পরীক্ষা করেন, তাহলে শিশুর কাছে নিয়মটির বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যায়।
শিশুরা বড়দের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে শেখে। গবেষণাতেও বাবা-মায়ের মধ্যস্থতা, অংশগ্রহণ এবং ডিজিটাল আচরণের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে (ফ্যাম প্রমুখ, ২০২৩; ভসেন প্রমুখ, ২০২৪)।
তাই পরিবারে এমন দৃশ্যমান নিয়ম রাখা যায়—খাবারের সময় সবার ফোন দূরে থাকবে, কথোপকথনের সময় নোটিফিকেশন দেখা হবে না এবং বড়রাও বই পড়া, হাঁটা বা খেলাধুলার মতো অফলাইন কাজে সময় দেবেন।
৩.৬ সমস্যা গুরুতর হলে পেশাদার সহায়তা নিন
কখনো কখনো পারিবারিক নিয়ম যথেষ্ট নাও হতে পারে। শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি যদি দীর্ঘস্থায়ী ঘুমের সমস্যা, অত্যন্ত তীব্র পারিবারিক সংঘাত, স্কুলে যেতে অনীহা অথবা সামাজিক কার্যকলাপ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে সরে যাওয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা উপযুক্ত মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর পরামর্শ নেওয়া যুক্তিযুক্ত।
পরিবারকেন্দ্রিক হস্তক্ষেপ এবং বাবা-মাকে সুনির্দিষ্ট কৌশল শেখানো ছোট শিশুদের ডিজিটাল ব্যবহার পরিচালনায় আশাব্যঞ্জক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (মোরাভস্কা, মিচেল ও টুথ, ২০২৩)।
∎ শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি নিয়ে আতঙ্ক তৈরি করার চেয়ে এটিকে শিশুর ডিজিটাল জীবনে ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাব্য সংকেত হিসেবে দেখা বেশি কার্যকর।
মূল প্রশ্ন শুধু “শিশু কতক্ষণ স্ক্রিন দেখছে?” নয়। বরং দেখতে হবে—স্ক্রিন কি তার ঘুম, খেলাধুলা, পড়াশোনা, সম্পর্ক, কথোপকথন ও মানসিক স্বস্তির জায়গা দখল করছে?
গবেষণাভিত্তিক বাস্তবসম্মত পথ হলো পরিষ্কার নিয়ম তৈরি করা, ঘুমের সময় রক্ষা করা, স্ক্রিনমুক্ত রুটিন গড়া, বয়সোপযোগী কনটেন্ট বেছে নেওয়া, শিশুর সঙ্গে ডিজিটাল কার্যক্রমে অংশ নেওয়া এবং আকর্ষণীয় অফলাইন বিকল্প তৈরি করা।
শিশুদের প্রযুক্তিহীন পৃথিবীর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ, যেখানে প্রযুক্তি জীবনের নিয়ন্ত্রক নয়, বরং প্রয়োজনমতো ব্যবহৃত একটি উপকারী মাধ্যম। ধৈর্য, ধারাবাহিকতা এবং পরিবারের সবার অংশগ্রহণ থাকলে শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি-সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর ডিজিটাল অভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব।
তথ্যসূত্র
বার, আর. (২০১৯) ‘প্যারেন্টিং ইন দ্য ডিজিটাল এজ’, হ্যান্ডবুক অব প্যারেন্টিং। উৎস: https://api.taylorfrancis.com/content/chapters/edit/download?identifierName=doi&identifierValue=10.4324/9780429401695-13&type=chapterpdf.
ডমফ, এস.ই., হ্যারিসন, কে., গিয়ারহার্ট, এ.এন., জেন্টাইল, ডি.এ., লুমেং, জে.সি. ও মিলার, এ.এল. (২০১৯) ‘ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ভ্যালিডেশন অব দ্য প্রবলেম্যাটিক মিডিয়া ইউজ মেজার: আ প্যারেন্ট রিপোর্ট মেজার অব স্ক্রিন মিডিয়া “অ্যাডিকশন” ইন চিলড্রেন’, সাইকোলজি অব পপুলার মিডিয়া কালচার, ৮(১), পৃ. ২–১১। উৎস: https://psycnet.apa.org/manuscript/2017-51599-001.pdf.
ফ্যাম, জে.ওয়াই., মান্নিক্কো, এন., জুহারি, আর. ও ক্যারিয়াইনেন, এম. (২০২৩) ‘ইজ প্যারেন্টাল মিডিয়েশন নেগেটিভলি অ্যাসোসিয়েটেড উইথ প্রবলেম্যাটিক মিডিয়া ইউজ অ্যামং চিলড্রেন অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্টস? আ সিস্টেম্যাটিক রিভিউ অ্যান্ড মেটা-অ্যানালাইসিস’, কানাডিয়ান জার্নাল অব বিহেভিয়ারাল সায়েন্স। উৎস: https://oulurepo.oulu.fi/bitstream/handle/10024/31783/nbnfi-fe2022060844887.pdf?sequence=1.
জেন্টাইল, ডি.এ., রাইমার, আর.এ., নাথানসন, এ.আই., ওয়ালশ, ডি.এ. ও আইজেনম্যান, জে.সি. (২০১৪) ‘প্রোটেকটিভ ইফেক্টস অব প্যারেন্টাল মনিটরিং অব চিলড্রেনস মিডিয়া ইউজ: আ প্রসপেক্টিভ স্টাডি’, জামা পেডিয়াট্রিকস, ১৬৮(৫), পৃ. ৪৭৯–৪৮৪। উৎস: https://jamanetwork.com/journals/jamapediatrics/articlepdf/1852609/poi140008.pdf.
গোল্ড, জে. (২০১৪) স্ক্রিন-স্মার্ট প্যারেন্টিং: হাউ টু ফাইন্ড ব্যালান্স অ্যান্ড বেনিফিট ইন ইয়োর চাইল্ডস ইউজ অব সোশ্যাল মিডিয়া, অ্যাপস, অ্যান্ড ডিজিটাল ডিভাইসেস। উৎস: https://books.google.com/books?id=9lo8BAAAQBAJ.
হেল, এল., কিরশেন, জি.ডব্লিউ., লেবুর্জোয়া, এম.কে. প্রমুখ (২০১৮) ‘ইয়ুথ স্ক্রিন মিডিয়া হ্যাবিটস অ্যান্ড স্লিপ: স্লিপ-ফ্রেন্ডলি স্ক্রিন বিহেভিয়ার রেকমেন্ডেশনস ফর ক্লিনিশিয়ানস, এডুকেটরস, অ্যান্ড প্যারেন্টস’, চাইল্ড অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট সাইকিয়াট্রিক ক্লিনিকস অব নর্থ আমেরিকা, ২৭(২), পৃ. ২২৯–২৪৫। উৎস: https://www.sciencedirect.com/science/article/am/pii/S1056499317301384.
মার্টিন, কে.বি., বেডনার্জ, জে.এম. প্রমুখ (২০২১) ‘ইন্টারভেনশনস টু কন্ট্রোল চিলড্রেনস স্ক্রিন ইউজ অ্যান্ড দেয়ার ইফেক্ট অন স্লিপ: আ সিস্টেম্যাটিক রিভিউ অ্যান্ড মেটা-অ্যানালাইসিস’, জার্নাল অব স্লিপ রিসার্চ। উৎস: https://onlinelibrary.wiley.com/doi/abs/10.1111/jsr.13130.
মোরাভস্কা, এ., মিচেল, এ.ই. ও টুথ, এল.আর. (২০২৩) ‘ম্যানেজিং স্ক্রিন ইউজ ইন দ্য আন্ডার-ফাইভস: রেকমেন্ডেশনস ফর প্যারেন্টিং ইন্টারভেনশন ডেভেলপমেন্ট’, ক্লিনিক্যাল চাইল্ড অ্যান্ড ফ্যামিলি সাইকোলজি রিভিউ। উৎস: https://link.springer.com/content/pdf/10.1007/s10567-023-00435-6.pdf.
পন্টি, এম. (২০২৩) ‘স্ক্রিন টাইম অ্যান্ড প্রিস্কুল চিলড্রেন: প্রোমোটিং হেলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন আ ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড’, পেডিয়াট্রিকস অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ, ২৮(৩), পৃ. ১৮৪–১৮৭। উৎস: https://pmc.ncbi.nlm.nih.gov/articles/PMC10186096/pdf/pxac125.pdf.
রাডেস্কি, জে.এস. ও ক্রিস্টাকিস, ডি.এ. (২০১৬) ‘ইনক্রিজড স্ক্রিন টাইম: ইমপ্লিকেশনস ফর আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড বিহেভিয়ার’, পেডিয়াট্রিক ক্লিনিকস অব নর্থ আমেরিকা, ৬৩(৫), পৃ. ৮২৭–৮৩৯। উৎস: https://www.pediatric.theclinics.com/article/S0031-3955(16)41029-1/abstract.
রেগা, ভি., জোইয়া, এফ. ও বুরসিয়ে, ভি. (২০২৩) ‘প্রবলেম্যাটিক মিডিয়া ইউজ অ্যামং চিলড্রেন আপ টু দ্য এজ অব ১০: আ সিস্টেম্যাটিক লিটারেচার রিভিউ’, ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিক হেলথ, ২০(১০), ৫৮৫৪। উৎস: https://www.mdpi.com/1660-4601/20/10/5854.
ভসেন, এইচ.জি.এম., ভ্যান ডেন আইন্ডেন, আর.জে.জে.এম., ভিসার, আই. ও কোনিং, আই.এম. (২০২৪) ‘প্যারেন্টিং অ্যান্ড প্রবলেম্যাটিক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজ: আ সিস্টেম্যাটিক রিভিউ’, কারেন্ট অ্যাডিকশন রিপোর্টস। উৎস: https://link.springer.com/content/pdf/10.1007/s40429-024-00559-x.pdf.
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (২০১৯) ডব্লিউএইচও গাইডলাইনস অন ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি, সেডেন্টারি বিহেভিয়ার অ্যান্ড স্লিপ ফর চিলড্রেন আন্ডার ৫ ইয়ার্স অব এজ। উৎস: https://www.who.int/publications/i/item/9789241550536.
Have any thoughts?
Share your reaction or leave a quick response — we’d love to hear what you think!
